০১:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাগেশ্বরীতে রায়গঞ্জ হাই স্কুলের ৪০টি গাছ কেটে আত্মসাতের অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
  • ৮৫ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার রায়গঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের প্রায় ৪০টি মূল্যবান সরকারি গাছ অবৈধভাবে কেটে আত্মসাৎ করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। কোনো প্রকার সরকারি অনুমতি বা নিলাম প্রক্রিয়া ছাড়াই এসব গাছ কাটা হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। এ ঘটনায় গত ১৬ এপ্রিল প্রতিকার ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন স্থানীয়রা। লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রায়গঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে সম্প্রতি ছোট-বড় প্রায় ৪০টি মূল্যবান গাছ কেটে ফেলা হয়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ২০ লক্ষ টাকারও বেশি। অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ নূরে আলম মাকসুদ কোনো প্রকার প্রশাসনিক অনুমোদন কিংবা বন বিভাগের ছাড়পত্র ছাড়াই ব্যক্তিগত প্রভাবে এসব গাছ কেটে আত্মসাৎ করেছেন। আবেদনকারীরা জানান, সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী বিদ্যালয়ের গাছ কাটার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ও প্রকাশ্য নিলামের বিধান থাকলেও এখানে তার কোনো তোয়াক্কা করা হয়নি। এটি দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৪০৯ ও ৩৭৯ ধারা এবং বন আইন ১৯২৭ অনুযায়ী স্পষ্ট অপরাধ। বিদ্যালয়ের সরকারি সম্পদ এভাবে আত্মসাৎ করার ঘটনায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, এর ফলে বিদ্যালয়ের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে। তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে মোঃ গোলজার হোসেন, মোঃ আশরাফুল আলম ও মোঃ বাদশা মিয়াসহ সচেতন এলাকাবাসী প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। অভিযোগে তারা গাছ কাটার বৈধতা যাচাই, আত্মসাৎকৃত সম্পদ উদ্ধার এবং দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করার জোর দাবি জানান। উক্ত আবেদনের অনুলিপি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং উপজেলা বন বিভাগকেও প্রদান করা হয়েছে। এ বিষয়ে যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

নাগেশ্বরীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ৬০ বোতল ইস্কাফ উদ্ধার

নাগেশ্বরীতে রায়গঞ্জ হাই স্কুলের ৪০টি গাছ কেটে আত্মসাতের অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

Update Time : ১১:০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার রায়গঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের প্রায় ৪০টি মূল্যবান সরকারি গাছ অবৈধভাবে কেটে আত্মসাৎ করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। কোনো প্রকার সরকারি অনুমতি বা নিলাম প্রক্রিয়া ছাড়াই এসব গাছ কাটা হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। এ ঘটনায় গত ১৬ এপ্রিল প্রতিকার ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন স্থানীয়রা। লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রায়গঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে সম্প্রতি ছোট-বড় প্রায় ৪০টি মূল্যবান গাছ কেটে ফেলা হয়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ২০ লক্ষ টাকারও বেশি। অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ নূরে আলম মাকসুদ কোনো প্রকার প্রশাসনিক অনুমোদন কিংবা বন বিভাগের ছাড়পত্র ছাড়াই ব্যক্তিগত প্রভাবে এসব গাছ কেটে আত্মসাৎ করেছেন। আবেদনকারীরা জানান, সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী বিদ্যালয়ের গাছ কাটার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ও প্রকাশ্য নিলামের বিধান থাকলেও এখানে তার কোনো তোয়াক্কা করা হয়নি। এটি দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৪০৯ ও ৩৭৯ ধারা এবং বন আইন ১৯২৭ অনুযায়ী স্পষ্ট অপরাধ। বিদ্যালয়ের সরকারি সম্পদ এভাবে আত্মসাৎ করার ঘটনায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, এর ফলে বিদ্যালয়ের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে। তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে মোঃ গোলজার হোসেন, মোঃ আশরাফুল আলম ও মোঃ বাদশা মিয়াসহ সচেতন এলাকাবাসী প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। অভিযোগে তারা গাছ কাটার বৈধতা যাচাই, আত্মসাৎকৃত সম্পদ উদ্ধার এবং দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করার জোর দাবি জানান। উক্ত আবেদনের অনুলিপি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং উপজেলা বন বিভাগকেও প্রদান করা হয়েছে। এ বিষয়ে যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।